মুক্তিপ্রাপ্ত একমাত্র ফেরকা

৳ 30.00

  • মুক্তিপ্রাপ্ত একমাত্র ফেরকা
  • মূল : সৈয়দ গোলাম আসকারী
  • সংকলন ও সম্পাদনা :
    মোহাম্মদ নাজির হোসেন ও মোঃ নিজামুল হক
  • প্রকাশকাল: একুশে বইমেলা ২০২১
  • পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৩২
  • স্বত্ব : আলে রাসূল পাবলিকেশন্স কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
  • ISBN: 978-984-94790-3-1

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেন-
هُوَ ٱلَّذِى بَعَثَ فِى ٱلأُمِّيِّينَ رَسُولاً مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلْكِتَابَ وَٱلْحِكْمَةَ وَإِن كَانُواْ مِن قَبْلُ لَفِى ضَلاَلٍ مُّبِينٍ
“তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রাসূল প্রেরন করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তাঁর আয়াতসমুহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপুর্বে তারা ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত ছিল।” [সূরা ৬২ জুমুয়াহ, আয়াত-০২]
আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেছেন যে, মানুষ যখন প্রকাশ্য গোমরাহীতে লিপ্ত ছিল তখনই আমি একজন রাসূলকে প্রেরন করেছি। আর এজন্য প্রেরন করেছি, যেন এই রাসূল আমার আয়াতসমূহকে তেলাওয়াত করে, প্রজ্ঞা ও কিতাবের জ্ঞান দান করে, তাদের নফসকে পবিত্র করে প্রকাশ্য গোমরাহী থেকে বের করে আনে। যেমনটি কোরআন মজিদ বলছে ঠিক তেমনটিই হযরত মুহাম্মাদ(সা.) করে দেখিয়েছিলেন।
রাসূল(সা.) পৃথিবীতে এলেন, হেজাজে(বর্তমান সৌদী আরব) তাবলীগ শুরু করে দিলেন। যে হেজাজ গোমরাহীর মূল কেন্দ্র ছিল। তাদেরকে আয়াতগুলো তেলোয়াত করে শুনালেন, কিতাবের জ্ঞান দান করলেন, তাদের নাফসকে পবিত্র করলেন। আর ঐ মানুষগুলি, যারা পশুর চেয়েও অধম হয়ে গিয়েছিল, তাদেরকে আবার মানুষ বানালেন। তাদের মধ্য থেকে অনেককে উচু মানের মানুষ বানিয়ে দিলেন। কিভাবে বানালেন?
আমরা জানি যে, রাসূল(সা.) ইসলামের দর্শন উপস্থাপন করেছিলেন যে, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো। কিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, এই ক্ষনস্থায়ী দুনিয়াকে আল্লাহর নির্দেশিত পথে/পদ্ধতিতে ব্যবহার কর। এখানে এমনভাবে জীবনযাপন কর, যেভাবে আল্লাহপাক চান। ঐ কাজগুলি-ই কর, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সম্পন্ন করতে বলেছেন। আর ঐ কাজগুলি পরিহার কর, যেগুলি তিনি করতে নিষেধ করেছেন। এর বিনিময়ে তোমরা ‘জান্নাত’ পাবে। যা কিছু তোমরা চিন্তা কর, সবই জান্নাতে পাবে।
এই দর্শনকেই রাসূল(সা.) তাদের অন্তরগুলোতে গেঁথে দিয়েছিলেন, যে অন্তরগুলো বিশ্বাস করলো, তারা অন্যায় ও খারাপ কাজ পরিহার করলো এবং নেকীর পথে ধাবিত হলো। এটা খুবই স্বাভাবিক যে, জান্নাত-ই এমন একটি ভরসা যার আশায় আজো মানুষ নেকীর দিকে ধাবিত হয়।
আমরা সকলেই রাসূল(সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ন হাদিস জানি, যে হাদিসটি ওলামায়ে কেরাম লিপিবদ্ধ করেছেন যার একটি সনদ হলÑ
হযরত আবু হুরায়রা(রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল(সা.) বলেন- “ইহুদীরা ৭১ অথবা ৭২ ফেরকায় (দলে) বিভক্ত হয়েছিল এবং খ্রিষ্টানরাও অনুরূপ ফেরকায় বিভক্ত হয়েছিল। আর আমার উম্মত বিভক্ত হবে ৭৩ ফেরকায়।” [জামে আত তিরমিজি, (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার), ৪র্থ খ-, হাদিস নং-২৫৭৭; সূনান তিরমিজি (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), ৫ম খ-, হাদিস নং-২৬৪১; ইবনু মাজাহ, হাদিস নং-৩৯৯১; তিরমিজী, (আল মাদানী প্রকাশনী), হাদিস নং-২৬৪০ ও ১৬৪১; মুসনাদে হাম্বাল, ৩য় খ-, পৃষ্ঠা-১৪; মুসতাদরাক হাকেম, ৩য় খ-, পৃষ্ঠ-১০৯; মিশকাত, তাহকিক ছানী, হাদিস নং-১৭১, সহিহাহ-১৩৪৮।]
রাসূল(সা.) আরও বলেন- “অচিরেই আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে। তন্মধ্যে মাত্র একটি দল হবে নাজাতপ্রাপ্ত ও জান্নাতী। তা ছাড়া সবগুলো দল হবে জাহান্নামী।”
এখানে আমার ‘উম্মত’ বলতে কেবল মুসলমানদের কথাই বোঝানো হচ্ছে। অর্থাৎ মহানবী(সা.) বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অবগত ছিলেন আর এজন্যই মুসলিম উম্মাহকে সাবধান করতে একথা-ই বলেছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হল, এই অবস্থা থেকে মুক্তি বা সত্যপথ পাওয়ার কি কোন দিক নির্দেশনা তিনি(সা.) দিয়ে যাননি?

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মুক্তিপ্রাপ্ত একমাত্র ফেরকা”

Your email address will not be published.

Quality
Price
Service